চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ি পাচ্ছে ১.৩১৯টি গৃহহীন পরিবার

responsive


জাকির হোসেন পিংকু,চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মাণে মুজিববর্ষে ‘বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’-প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনা বাস্তবায়নে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় প্রথম পর্যায়ে বাড়ি পাচ্ছে ১ হাজার ৩১৯টি পরিবার। আগামী ২৩ জানুয়ারী শনিবার সকালে সদর উপজেলার শল্লা মানপুর গ্রামে নির্মিত ৩৬টি বাড়ি সুবিধেভোগিদের মাঝে হস্তান্তরসহ সারাদেশে নির্মিত ৬৬ হাজার ১৮৯টি বাড়ি হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার জমি ও গৃহ প্রদান’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। সারাদেশের ন্যায় আশ্রায়ন-২ প্রকল্পের আওতায় ওই গ্রামে নির্মিত ৩৬টি বাড়ি বিতরণ অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে প্রথমেই যুক্ত হবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসন আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন সংসদ সদস্যগণ,রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ন কবীর খোন্দকার সহ গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে জনপ্রিয় লোকজ গম্ভীরা গান পরিবেশিত হবে।
বৃহস্পতিবার(২১’জানুয়ারী) দুপুরে এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ। তিনি বলেন, শনিবার চলমান যুগান্তকারী একটি কর্মসূচী উদ্বোধন করা হবে। তিনি বলেন,পৌচাগার,রান্নাঘরসহ এক ইউনিটের প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ১ লক্ষ ৭১ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হলেও গড়ে ১০ হাজার টাকা বেশি খরচ হয়েছে। প্রায় প্রতিটি বাড়ি ২ থেকে ৩ শতক জমির উপর নির্মিত। এসব বাড়ি দেয়া হচ্ছে ‘জমি আছে বাড়ি নাই এবং জমি ও ঘর কোনটাই নাই’ এই দুই ধরণের পরিবারকে। প্রাথমিকভাবে সংশ্লিস্ট জনপ্রতিনিধরা সুবিধেভোগিদের তালিকা করেছেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশণা বাস্কবায়নে দেশের সকল ভূমি ওগৃহহীনদের বাসসস্থান নিশ্চিত করতে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সকল ‘ভ’মিহীন ও গৃহহীনদের জন্য  গৃহ প্রদান নীতিমালা -২০২০’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে সুবিধেভোগি নির্বাচন, বাড়ি নির্মাণ ও হস্তান্তরে কোন অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। কোন অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, জেলা সদরে ১৩০,শিবগঞ্জে ৭৩৭,নাচোলে ৯৫, গোমস্তাপুরে ২শ’ ও ভোলাহাট উপজেলায় ১৫৭টি বাড়িসহ জেলায় প্রকল্পের আওতায় ১,৩১৯টি বাড়ি নির্মিত হয়েছে। এর বাইরেও বিভিন্ন উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে ৫০টি বাড়ি। শনিবার চাবি ও দলিলসহ সেগুলো বুঝিয়ে দেয়া হবে। মহতী এ কর্মসূচী মুজিববর্ষ জুড়ে চলমান থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট জাকিউল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।    ##

মন্তব্যসমূহ (০)


ব্রেকিং নিউজ

লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন